প
শু
পা
ল
ন
পশুর যত্নে আপনার সঙ্গী
মূল অংশে যান
হোম
প্রশ্ন করুন
রোগ ও যত্ন
পশু চিকিৎসক
সরকারি প্রকল্প
আমার পশু
আগের পরামর্শ
জরুরি
হোম
প্রশ্ন করুন
আমার পশু
আগের পরামর্শ
অ্যাকাউন্ট
হোম
প্রশ্ন করুন
রোগ ও যত্ন
পশু চিকিৎসক
সরকারি প্রকল্প
আমার পশু
আগের পরামর্শ
জরুরি
হাঁস
হাঁস মারা যাওয়া
হঠাৎ অনেক মারা গেলে কী করবেন
প্রশ্ন করুন
ছবি দেখান
পড়ে জানুন
হোম
প্রশ্ন করুন
আমার পশু
আগের পরামর্শ
অ্যাকাউন্ট
বার্ড ফ্লু (এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা)
বার্ড ফ্লু মুরগি, হাঁস ও বুনো পাখির একটি খুব ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। তীব্র ধরনে অনেক পাখি হঠাৎ মারা যেতে পারে। বুনো জলচর পাখি (যেমন পরিযায়ী হাঁস) এই ভাইরাস বহন করে দূরে ছড়াতে পারে। কখনও কখনও মানুষেরও সংক্রমণ হয়, তাই সাবধানতা জরুরি। সন্দেহ হলে সরকারি দপ্তরকে জানানো দরকার।
যাচাই বাকি
ফাউল কলেরা / হাঁসের কলেরা (পাস্তুরেলোসিস)
ফাউল কলেরা হাঁস ও মুরগির একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত মারাত্মক রোগ। তীব্র ধরনে কোনো লক্ষণ ছাড়াই হঠাৎ মৃত্যু হয়। ৪ সপ্তাহের বেশি বয়সী হাঁসে বেশি দেখা যায়। বর্ষা ও ঠান্ডায়, ভিড় ও নোংরা জলে বাড়ে।
যাচাই বাকি
গরমে হাঁস-মুরগির কষ্ট (হিট স্ট্রোক)
মুরগির ঘাম হয় না, তাই গ্রীষ্মে (বিশেষ করে ব্রয়লার ও ভারী মুরগি) সহজেই হিট স্ট্রোকে মারা যায়। দুপুর থেকে বিকেলে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। খাওয়া, ডিম ও ডিমের খোসার মান কমে যায়।
যাচাই বাকি
ডাক প্লেগ (হাঁসের মড়ক)
ডাক প্লেগ বড় হাঁসের একটি মারাত্মক ভাইরাস রোগ। শরীরের ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়, অনেক হাঁস হঠাৎ মারা যায়। বুনো ও পরিযায়ী হাঁস এবং দূষিত জলাশয় থেকে ছড়ায়। চিকিৎসা নেই; ৮-১২ সপ্তাহ বয়সে টিকাই সুরক্ষা (TNAU)।
যাচাই বাকি
হাঁসছানার ভাইরাস হেপাটাইটিস
এই ভাইরাস রোগে প্রধানত ৩ সপ্তাহের কম বয়সী হাঁসছানা আক্রান্ত হয়। খুব দ্রুত চলে — ছানা পাশ ফিরে পড়ে পা ছুঁড়তে থাকে, মাথা পিঠের দিকে বেঁকে যায় এবং অল্প সময়ে মারা যায়। চিকিৎসা নেই; প্রজননের হাঁসকে টিকা দিলে ছানা সুরক্ষা পায় (TNAU)।
যাচাই বাকি
হাঁসছানার নতুন রোগ (রিমেরেলা) — মাথা কাঁপা ও চোখে পিচুটি
রিমেরেলা একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ছোঁয়াচে রোগ, প্রধানত কয়েক সপ্তাহ বয়সী হাঁসছানার। চোখ-নাক দিয়ে পিচুটি-সর্দি, সবুজ পায়খানা আর মাথা কাঁপা, চিত হয়ে পড়ার মতো স্নায়ুর লক্ষণ হয়। বেঁচে যাওয়া ছানার বৃদ্ধি কমে যায়। ভিড়, ভেজা বিছানা ও চাপ ঝুঁকি বাড়ায়।
যাচাই বাকি
ছত্রাক-লাগা খাবারের বিষ (আফলাটক্সিকোসিস)
সঠিকভাবে না শুকানো বা ভেজা ভুট্টা, বাদামের খোল, চালের কুঁড়োয় ছত্রাক (অ্যাসপারজিলাস ফ্ল্যাভাস) জন্মে আফলাটক্সিন নামের বিষ তৈরি করে। হাঁস এই বিষে খুব সংবেদনশীল — কলিজা নষ্ট হয়, ছানারা মারা যায়। নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই; বিষাক্ত খাবার সরালেই পাখি দ্রুত সেরে ওঠে (TNAU)।
যাচাই বাকি
বটুলিজম (ঘাড় ঝুলে পড়া / লিম্বারনেক)
বটুলিজম একটি খাদ্যে বিষক্রিয়া। পচা গাছপালা, মরা পাখি-প্রাণী ও তাদের গায়ের পোকা (ম্যাগট) খেলে ব্যাকটেরিয়ার তৈরি বিষ শরীরে ঢোকে এবং পা, ডানা ও ঘাড়ের পেশি অবশ হয়ে যায়। গরমে শুকিয়ে আসা পচা জলাশয়ে চরানো হাঁসের বেশি হয়।
যাচাই বাকি
ছানার ছত্রাকজনিত নিউমোনিয়া (অ্যাসপারজিলোসিস)
ছত্রাক লাগা, ভেজা খড়-তুষ বা খাবার থেকে ছত্রাকের বীজ নিঃশ্বাসে ঢুকে ফুসফুসে রোগ হয়। প্রথম কয়েক সপ্তাহের বাচ্চা মুরগি ও হাঁসছানায় বেশি — মুখ খুলে হাঁপায় আর মারা যায়। চিকিৎসা কঠিন, তাই শুকনো, পরিষ্কার বিছানাই সুরক্ষা।
যাচাই বাকি