গরমে হাঁস-মুরগির কষ্ট (হিট স্ট্রোক)
Heat stress in poultry
এই লেখা এখনও পশু চিকিৎসকের দ্বারা যাচাই হয়নি
সাধারণ তথ্য হিসেবে পড়ুন। ওষুধ দেওয়া বা চিকিৎসার আগে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশু খুব অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসককে ডাকুন।
গুরুতরগরমকাল
মুরগির ঘাম হয় না, তাই গ্রীষ্মে (বিশেষ করে ব্রয়লার ও ভারী মুরগি) সহজেই হিট স্ট্রোকে মারা যায়। দুপুর থেকে বিকেলে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। খাওয়া, ডিম ও ডিমের খোসার মান কমে যায়।
বিপদের লক্ষণ — দেখলেই পশু চিকিৎসক ডাকুন
- মুরগি কাত হয়ে পড়ে আছে
লক্ষণ
- মুখ খুলে দ্রুত শ্বাস
- ডানা গা থেকে দূরে ছড়িয়ে বসা
- খুব বেশি জল খাওয়া, খাওয়া কমা
- ঝিমিয়ে পড়া, হঠাৎ মৃত্যু
- পাতলা খোসার ডিম
কেন হয়
- বেশি তাপ ও আর্দ্রতা, ভিড়, টিনের চাল, বাতাস চলাচল না থাকা, জলের অভাব।
ঘরে যা করবেন (প্রাথমিক যত্ন)
- সারাদিন ঠান্ডা, পরিষ্কার জল দিন; জলের পাত্র বাড়ান ও ছায়ায় রাখুন।
- দুপুরে খাবার দেবেন না — ভোরে ও সন্ধ্যায় দিন।
- চালের উপর খড় বা ভেজা চট দিন, ঘরে বাতাস চলাচল বাড়ান।
- অজ্ঞান হয়ে পড়া মুরগিকে ছায়ায় নিয়ে পা ও শরীরে আলতো করে ঠান্ডা জল দিন (মাথা ডোবাবেন না)।
চিকিৎসা — পশু চিকিৎসক যা করেন
- পশু চিকিৎসক জলে দেওয়ার ইলেক্ট্রোলাইট বা ভিটামিন জাতীয় সহায়ক ব্যবস্থার পরামর্শ দিতে পারেন।
কখন পশু চিকিৎসক ডাকবেন
- ঠান্ডা করার পরও মৃত্যু চলতে থাকলে।
প্রতিরোধ ও টিকা
- গ্রীষ্মে ঘরে মুরগির সংখ্যা কমান।
- ঘরের চারপাশে গাছ লাগান, চালে সাদা রং।
- দুপুরে মুরগি নড়াচড়া, ধরা বা পরিবহন করবেন না।
সূত্র ও যাচাই
যাচাই বাকি
সংস্করণ ১
- Management of Laying ChickensMSD Veterinary Manual · দেখা হয়েছে ১৪ অক্টোবর, ২০২৬