প
শু
পা
ল
ন
পশুর যত্নে আপনার সঙ্গী
মূল অংশে যান
হোম
প্রশ্ন করুন
রোগ ও যত্ন
পশু চিকিৎসক
সরকারি প্রকল্প
আমার পশু
আগের পরামর্শ
জরুরি
হোম
প্রশ্ন করুন
আমার পশু
আগের পরামর্শ
অ্যাকাউন্ট
হোম
প্রশ্ন করুন
রোগ ও যত্ন
পশু চিকিৎসক
সরকারি প্রকল্প
আমার পশু
আগের পরামর্শ
জরুরি
হাঁস
ডিম উৎপাদন
ডিম কমা, ডিম পাড়ার জায়গা
প্রশ্ন করুন
ছবি দেখান
পড়ে জানুন
হাঁস-মুরগির কৃমি
দেশি মুরগি আর পুকুর-ডোবায় চরা হাঁসের পেটে গোলকৃমি ও ফিতাকৃমি খুব সাধারণ। পাখি খেয়েও রোগা থাকে, ডিম কমে, টিকায় সাড়া কমে যায়। পরিষ্কার, প্রবাহিত জলের হাঁসের কৃমি কম হয়; বদ্ধ, ভিড়ের পুকুরে বেশি (TNAU)।
যাচাই বাকি
হাঁস-মুরগির উকুন, মাইট ও এঁটুলি
উকুন পালকে থাকে; লাল মাইট দিনে ঘরের ফাটলে লুকিয়ে রাতে রক্ত খায়; পায়ের মাইট পায়ের আঁশ উঁচু করে দেয়। এরা মুরগিকে অস্থির, রক্তশূন্য করে, ডিম কমিয়ে দেয় এবং রোগও ছড়ায়। হাঁসে তুলনামূলক কম হয় (TNAU)।
যাচাই বাকি
গরমে হাঁস-মুরগির কষ্ট (হিট স্ট্রোক)
মুরগির ঘাম হয় না, তাই গ্রীষ্মে (বিশেষ করে ব্রয়লার ও ভারী মুরগি) সহজেই হিট স্ট্রোকে মারা যায়। দুপুর থেকে বিকেলে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। খাওয়া, ডিম ও ডিমের খোসার মান কমে যায়।
যাচাই বাকি
ডিম আটকে যাওয়া (এগ বাইন্ডিং)
ডিম পাড়া মুরগি বা হাঁসের ডিম ডিমনালিতে আটকে গেলে পাখি বারবার কোঁত দেয় কিন্তু ডিম বেরোয় না। ক্যালসিয়ামের অভাব, খুব বড় বা বিকৃত ডিম, কম বয়সে বা খুব মোটা পাখিতে বেশি হয়। বেশিক্ষণ আটকে থাকলে পাখি মারা যেতে পারে।
যাচাই বাকি
হোম
প্রশ্ন করুন
আমার পশু
আগের পরামর্শ
অ্যাকাউন্ট