প
শু
পা
ল
ন
পশুর যত্নে আপনার সঙ্গী
মূল অংশে যান
হোম
প্রশ্ন করুন
রোগ ও যত্ন
পশু চিকিৎসক
সরকারি প্রকল্প
আমার পশু
আগের পরামর্শ
জরুরি
হোম
প্রশ্ন করুন
আমার পশু
আগের পরামর্শ
অ্যাকাউন্ট
হোম
প্রশ্ন করুন
রোগ ও যত্ন
পশু চিকিৎসক
সরকারি প্রকল্প
আমার পশু
আগের পরামর্শ
জরুরি
গরু ও মহিষ
সাধারণ স্বাস্থ্য
সুস্থ পশু চেনা, জ্বর, ঝিমিয়ে পড়া
প্রশ্ন করুন
ছবি দেখান
পড়ে জানুন
হোম
প্রশ্ন করুন
আমার পশু
আগের পরামর্শ
অ্যাকাউন্ট
গলাফোলা রোগ (হেমোরেজিক সেপ্টিসেমিয়া)
গলাফোলা গরু ও বিশেষ করে মহিষের একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত, খুব দ্রুত প্রাণঘাতী রোগ। বর্ষার শুরুতে ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বেশি হয়। অনেক সময় লক্ষণ দেখা দেওয়ার এক-দু'দিনের মধ্যেই পশু মারা যায়, তাই দেরি না করে চিকিৎসা দরকার। বর্ষার আগে টিকাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
যাচাই বাকি
বাদলা রোগ (ব্ল্যাক কোয়ার্টার)
বাদলা সাধারণত ৬ মাস থেকে ২-৩ বছর বয়সী সুস্থ, তাজা গরুর হয়। পেছনের বা সামনের পায়ের মোটা মাংসপেশি ফুলে যায়, ফোলায় চাপ দিলে ভেতরের গ্যাসের জন্য মচমচ শব্দ হয়। চিকিৎসা না পেলে সাধারণত এক দিনের মধ্যে পশু মারা যায়। বর্ষার শুরুতে বেশি হয়; মাটিতে থাকা জীবাণুর বীজ (স্পোর) বহু বছর বেঁচে থাকে।
যাচাই বাকি
তড়কা রোগ (অ্যানথ্রাক্স)
তড়কা একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। পশু প্রায়ই কোনো লক্ষণ ছাড়াই হঠাৎ মারা যায়। জীবাণুর বীজ মাটিতে বহু বছর বেঁচে থাকে। এই রোগ মানুষেরও হয় — তাই সন্দেহ হলে মরা পশু কখনও কাটা, চামড়া ছাড়ানো বা মাংস খাওয়া চলবে না, এবং সঙ্গে সঙ্গে সরকারি দপ্তরকে জানাতে হবে।
যাচাই বাকি
গরুর যক্ষ্মা (টিবি)
গরুর যক্ষ্মা ধীরে ধীরে বাড়ে। পশু খেতে চায় কিন্তু দিন দিন রোগা হয়, ভোরে বা ঠান্ডায় কাশে। এই রোগ মানুষেরও হতে পারে, বিশেষ করে কাঁচা দুধ থেকে। চিকিৎসা বা টিকা দিয়ে পশুর এই রোগ নিয়ন্ত্রণ হয় না; পরীক্ষা করে আক্রান্ত পশু আলাদা করাই উপায়।
যাচাই বাকি
জোনস রোগ (পুরনো পাতলা পায়খানা ও রোগা হওয়া)
জোনস রোগ খুব ধীরে বাড়ে। বাচ্চা বয়সে সংক্রমণ হয়, কিন্তু লক্ষণ দেখা দেয় ২-৬ বছর বয়সে। গরু-মহিষের অনেকদিন ধরে পাতলা পায়খানা হয় আর খাওয়া ঠিক থাকলেও পশু শুকিয়ে যায়; ছাগলে পাতলা পায়খানা কম, শুধু রোগা হয়ে যায়।
যাচাই বাকি
বেবিসিওসিস — লাল প্রস্রাবের রোগ (এঁটুলি জ্বর)
বেবিসিওসিস এঁটুলি (আঁটুলি) কামড়ে ছড়ানো একটি রক্তের পরজীবী রোগ। পরজীবী লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে ফেলে, তাই প্রস্রাব লাল বা কফি রঙের হয়ে যায়, পশু রক্তশূন্য ও দুর্বল হয়। বিদেশি ও সংকর জাতের গরুর ঝুঁকি বেশি। গরম ও বর্ষায় এঁটুলি বাড়ে, তখন রোগও বেশি হয়।
যাচাই বাকি
থাইলেরিওসিস (এঁটুলিবাহিত জ্বর, গাঁট ফোলা)
থাইলেরিওসিস এঁটুলির মাধ্যমে ছড়ানো একটি রক্তের পরজীবী রোগ। খুব বেশি জ্বর আর শরীরের গাঁট (বিশেষ করে কাঁধের সামনের গাঁট) ফুলে যায়। সংকর ও বিদেশি জাতের গরু ও বাছুরের ঝুঁকি বেশি। চিকিৎসা না হলে মৃত্যুর হার বেশি।
যাচাই বাকি
অ্যানাপ্লাজমোসিস (রক্তশূন্যতার জ্বর)
অ্যানাপ্লাজমোসিস একটি রক্তের রোগ, এঁটুলি, কামড়ানো মাছি-মশা আর একই সূঁচ বা যন্ত্র বারবার ব্যবহারে ছড়ায়। লোহিত রক্তকণিকা নষ্ট হয়ে পশু রক্তশূন্য হয়ে পড়ে। বড় গরুর ক্ষেত্রে বেশি গুরুতর।
যাচাই বাকি
এঁটুলি, উকুন ও খোস-পাঁচড়া (বাইরের পরজীবী)
এঁটুলি, উকুন ও মাইট (খোস-পাঁচড়ার পোকা) পশুর রক্ত খায়, চুলকানি ও ঘা করে, ওজন ও দুধ কমায়। এঁটুলি আবার বেবিসিওসিস, থাইলেরিওসিসের মতো মারাত্মক রোগও ছড়ায়। গরম ও বর্ষায় এদের সংখ্যা বাড়ে।
যাচাই বাকি
পেটের কৃমি ও কলিজার কৃমি (লিভার ফ্লুক)
পেটের গোলকৃমি ও ফিতাকৃমি, আর জলা জমিতে চরা পশুর কলিজার কৃমি (লিভার ফ্লুক) — এগুলো ধীরে ধীরে পশুকে রোগা, রক্তশূন্য করে, দুধ ও বৃদ্ধি কমায়। বাছুরে বেশি ক্ষতি করে। কলিজার কৃমি শামুকের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই জলা জমি, ধানখেত ও পুকুরপাড়ে চরানো পশুর ঝুঁকি বেশি — বর্ষার পরে বেশি দেখা যায়।
যাচাই বাকি
জলাতঙ্ক (র্যাবিস) — পাগলা কুকুর কামড়ালে
জলাতঙ্ক পাগলা কুকুর, শিয়াল, বেজি ইত্যাদির কামড়ে ছড়ানো একটি ভাইরাস রোগ। লক্ষণ দেখা দিলে পশুর মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত, এবং অসুস্থ পশুর লালা থেকে মানুষেরও হতে পারে। কামড়ের পরেই (লক্ষণ আসার আগে) টিকা দিলে পশু বাঁচানো যায়।
যাচাই বাকি