জলাতঙ্ক (র্যাবিস) — পাগলা কুকুর কামড়ালে
Rabies
এই লেখা এখনও পশু চিকিৎসকের দ্বারা যাচাই হয়নি
সাধারণ তথ্য হিসেবে পড়ুন। ওষুধ দেওয়া বা চিকিৎসার আগে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশু খুব অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসককে ডাকুন।
জরুরি — প্রাণঘাতীসারা বছরছোঁয়াচেমানুষেরও হতে পারে
জলাতঙ্ক পাগলা কুকুর, শিয়াল, বেজি ইত্যাদির কামড়ে ছড়ানো একটি ভাইরাস রোগ। লক্ষণ দেখা দিলে পশুর মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত, এবং অসুস্থ পশুর লালা থেকে মানুষেরও হতে পারে। কামড়ের পরেই (লক্ষণ আসার আগে) টিকা দিলে পশু বাঁচানো যায়।
বিপদের লক্ষণ — দেখলেই পশু চিকিৎসক ডাকুন
- কুকুর/শিয়ালের কামড় — লক্ষণ না থাকলেও এটাই জরুরি অবস্থা
লক্ষণ
- স্বভাব বদলে যাওয়া — অস্থির, আক্রমণাত্মক বা অস্বাভাবিক শান্ত
- অনবরত লালা পড়া, গিলতে না পারা
- অস্বাভাবিক ডাক, বারবার কোঁত দেওয়া
- পেছনের পা অবশ, তারপর পড়ে যাওয়া
কেন হয়
- র্যাবিস ভাইরাস, আক্রান্ত প্রাণীর কামড় বা লালায় ছড়ায়।
ঘরে যা করবেন (প্রাথমিক যত্ন)
- কামড়ের ক্ষত সঙ্গে সঙ্গে সাবান ও প্রচুর চলমান জলে অন্তত ১৫ মিনিট ধুয়ে ফেলুন।
- লক্ষণ দেখা দিলে পশুকে দূর থেকে বেঁধে আলাদা রাখুন, কেউ যেন মুখে হাত না দেয়।
চিকিৎসা — পশু চিকিৎসক যা করেন
- কামড়ের পর পশু চিকিৎসক নির্দিষ্ট দিনে কয়েকটি র্যাবিস টিকা দেন।
- লক্ষণ শুরু হয়ে গেলে চিকিৎসা নেই; পশু চিকিৎসক ও দপ্তর পরবর্তী ব্যবস্থা নেন।
কখন পশু চিকিৎসক ডাকবেন
- কুকুর, শিয়াল বা অন্য বুনো প্রাণী কামড়ালে সেদিনই।
প্রতিরোধ ও টিকা
- পোষা কুকুরকে প্রতি বছর টিকা দিন।
- বাছুর-ছাগলকে রাতে নিরাপদ ঘেরা জায়গায় রাখুন।
রোগ ছড়ানো আটকাতে
- অসুস্থ পশুর দুধ ব্যবহার করবেন না, মাংস খাবেন না।
সাবধান
- অসুস্থ পশুর মুখে হাত দিয়ে কিছু আটকে আছে কি না দেখবেন না।
- পশুর লালা কারও ক্ষত বা চোখে লাগলে বা পশু কামড়ালে সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে মানুষের টিকা নিন।
সূত্র ও যাচাই
যাচাই বাকি
সংস্করণ 1
- RabiesWorld Organisation for Animal Health (WOAH) · দেখা হয়েছে ১৪ অক্টোবর, ২০২৬