রানীক্ষেত রোগ (নিউক্যাসল ডিজিজ)
Newcastle disease
এই লেখা এখনও পশু চিকিৎসকের দ্বারা যাচাই হয়নি
সাধারণ তথ্য হিসেবে পড়ুন। ওষুধ দেওয়া বা চিকিৎসার আগে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশু খুব অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসককে ডাকুন।
জরুরি — প্রাণঘাতীশীতকালগরমকালছোঁয়াচেমানুষেরও হতে পারে
রানীক্ষেত (নিউক্যাসল ডিজিজ) মুরগি সহ পাখির একটি ভাইরাসজনিত, খুব ছোঁয়াচে রোগ। ঝাঁকে ঢুকলে কয়েক দিনের মধ্যেই প্রায় সব পাখিতে ছড়াতে পারে, আর তীব্র ধরনে অনেক পাখি হঠাৎ মারা যায়। লক্ষণ বার্ড ফ্লুর মতো দেখাতে পারে, তাই নিশ্চিত হতে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা দরকার।
বিপদের লক্ষণ — দেখলেই পশু চিকিৎসক ডাকুন
- ঝাঁকে হঠাৎ অনেক মুরগি মারা যাওয়া
- দ্রুত বহু মুরগিতে ছড়িয়ে পড়া
- ঘাড় বাঁকা বা অবশ হওয়া
লক্ষণ
- হাঁচি, নাক দিয়ে জল, শ্বাসকষ্ট
- ঝিমিয়ে থাকা, খাওয়া কমে যাওয়া
- পাতলা (অনেক সময় সবুজ) পায়খানা
- ঘাড় বেঁকে যাওয়া, ঘুরপাক খাওয়া, পা বা ডানা অবশ
- ডিম পাড়া হঠাৎ কমে যাওয়া
কেন হয়
- একটি ভাইরাস। অসুস্থ পাখির মল, নাকের রস, দূষিত খাবার-জল, যন্ত্রপাতি ও মানুষের জামা-জুতোর মাধ্যমে ছড়ায়।
ঘরে যা করবেন (প্রাথমিক যত্ন)
- অসুস্থ পাখিগুলো আলাদা করুন।
- পরিষ্কার জল ও খাবার দিন, ঘরে বাতাস চলাচল রাখুন।
চিকিৎসা — পশু চিকিৎসক যা করেন
- চিকিৎসা নেই (TNAU); পশু চিকিৎসক রোগ নিশ্চিত করে সুস্থ পাখিদের জরুরি টিকা ও খামার পরিষ্কারের ব্যবস্থা বলেন।
কখন পশু চিকিৎসক ডাকবেন
- একাধিক পাখি মারা গেলে বা দ্রুত ছড়ালে আজই পশু চিকিৎসক ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরে জানান।
প্রতিরোধ ও টিকা
- পশু চিকিৎসকের পরামর্শে সময়মতো টিকা দিন।
- নতুন পাখি আলাদা রেখে তারপর ঝাঁকে মেশান।
- বাইরের লোক ও পাখি খামারে ঢোকা কমান।
রোগ ছড়ানো আটকাতে
- খামারে ঢোকার আগে জুতো ও হাত পরিষ্কার করুন।
- মরা পাখি খোলা জায়গায় ফেলবেন না; নিয়ম মেনে মাটিতে পুঁতুন।
- পায়রা ও বুনো পাখি খাবার-জলের কাছে যেন না আসে।
সাবধান
- এই সময় পাখি বিক্রি বা অন্য জায়গায় সরাবেন না।
- অসুস্থ পাখি ধরার পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন — মানুষের চোখে হালকা সংক্রমণ হতে পারে।
সূত্র ও যাচাই
যাচাই বাকি
সংস্করণ ১
- Newcastle diseaseWorld Organisation for Animal Health (WOAH) · দেখা হয়েছে ১৩ অক্টোবর, ২০২৬