গর্ভকালীন বিষক্রিয়া (প্রেগনেন্সি টক্সিমিয়া)
Pregnancy toxaemia (ketosis in does)
এই লেখা এখনও পশু চিকিৎসকের দ্বারা যাচাই হয়নি
সাধারণ তথ্য হিসেবে পড়ুন। ওষুধ দেওয়া বা চিকিৎসার আগে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশু খুব অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসককে ডাকুন।
জরুরি — প্রাণঘাতীসারা বছর
গর্ভের শেষ মাসে, বিশেষ করে শেষ দু'সপ্তাহে, পেটে একাধিক বাচ্চা থাকা ছাগলের এই সমস্যা হয়। বাচ্চারা দ্রুত বাড়ে, পেটে জায়গা কমে যায়, ফলে মা যথেষ্ট খেতে পারে না এবং শরীরের চর্বি ভাঙতে গিয়ে রক্তে বিষাক্ত কিটোন জমে। চিকিৎসা না হলে মা ও বাচ্চা দুজনেরই মৃত্যু হতে পারে।
বিপদের লক্ষণ — দেখলেই পশু চিকিৎসক ডাকুন
- ছাগল শুয়ে পড়েছে, উঠতে পারছে না
- খিঁচুনি
লক্ষণ
- গর্ভের শেষ দিকে খাওয়া কমে যাওয়া বা বন্ধ
- উঠতে বা নড়তে না চাওয়া, দলের পেছনে থাকা
- নিঃশ্বাসে মিষ্টি-ফলের মতো গন্ধ
- টলমলে হাঁটা, অন্ধের মতো ঘোরা, কাঁপুনি
কেন হয়
- গর্ভের শেষ দিকে যথেষ্ট শক্তিদায়ক খাবার না পাওয়া; খুব মোটা বা খুব রোগা ছাগলের ঝুঁকি বেশি।
ঘরে যা করবেন (প্রাথমিক যত্ন)
- ছাগলকে দিনে কয়েকবার আস্তে আস্তে হাঁটান, উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করুন (TNAU)।
- পছন্দের সহজপাচ্য, শক্তিদায়ক খাবার অল্প অল্প করে সামনে দিন — জোর করবেন না।
- এর মধ্যেই পশু চিকিৎসককে ডাকুন।
চিকিৎসা — পশু চিকিৎসক যা করেন
- পশু চিকিৎসক মুখে খাওয়ানোর শক্তিদায়ক দ্রবণ বা শিরায় গ্লুকোজ দেন।
- অবস্থা খারাপ হলে মাকে বাঁচাতে আগেভাগে প্রসব করানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
কখন পশু চিকিৎসক ডাকবেন
- গর্ভের শেষে ছাগল খাওয়া কমালেই।
প্রতিরোধ ও টিকা
- গর্ভের শেষ ৬-৮ সপ্তাহে ধীরে ধীরে দানাদার খাবার বাড়ান (পশু চিকিৎসকের পরামর্শে)।
- গর্ভবতী ছাগলকে খুব মোটা বা খুব রোগা হতে দেবেন না।
- শেষ মাসে হঠাৎ খাবার বদল ও চাপ এড়িয়ে চলুন।
সাবধান
- অসুস্থ পশুকে জোর করে মুখে কিছু ঢালবেন না — শ্বাসনালিতে ঢুকে বিপদ হতে পারে।
সূত্র ও যাচাই
যাচাই বাকি
সংস্করণ ১
- Livestock: Goat — Disease Management & Vaccination ScheduleTNAU Agritech Portal, Tamil Nadu Agricultural University · দেখা হয়েছে ১৪ অক্টোবর, ২০২৬