গরমে কষ্ট (হিট স্ট্রেস / লু লাগা)
Heat stress
এই লেখা এখনও পশু চিকিৎসকের দ্বারা যাচাই হয়নি
সাধারণ তথ্য হিসেবে পড়ুন। ওষুধ দেওয়া বা চিকিৎসার আগে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশু খুব অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসককে ডাকুন।
গুরুতরগরমকাল
পশ্চিমবঙ্গের গ্রীষ্মে (এপ্রিল-জুন) প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতায় গরু, বিশেষ করে মহিষ ও সংকর গরু খুব কষ্ট পায়। খাওয়া, দুধ ও গর্ভধারণ কমে যায়; চরম ক্ষেত্রে লু লেগে পশু মারা যেতে পারে। মহিষের চামড়া কালো ও ঘামগ্রন্থি কম, তাই জলে গা ডোবানো তার জন্য খুব জরুরি।
বিপদের লক্ষণ — দেখলেই পশু চিকিৎসক ডাকুন
- পশু পড়ে গেছে বা কাঁপছে
- খুব জোরে হাঁপাচ্ছে, সাড়া কম
লক্ষণ
- মুখ খুলে দ্রুত শ্বাস, জিভ বের করা, লালা পড়া
- ছায়া খোঁজা, জলের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
- খাওয়া ও দুধ কমে যাওয়া
- টলমলে হাঁটা
কেন হয়
- প্রচণ্ড রোদ ও গরম, বাতাস চলাচলহীন গোয়াল, জলের অভাব।
ঘরে যা করবেন (প্রাথমিক যত্ন)
- সঙ্গে সঙ্গে ছায়ায় নিয়ে যান, গায়ে (বিশেষ করে মাথা-ঘাড়-পিঠে) ঠান্ডা জল ঢালুন বা ভেজা চট দিন।
- যত খুশি পরিষ্কার ঠান্ডা জল খেতে দিন।
- মহিষকে পুকুরে গা ডোবাতে দিন।
- দুপুরে কাজ বা চরানো বন্ধ রাখুন — ভোরে ও সন্ধ্যায় খাওয়ান।
চিকিৎসা — পশু চিকিৎসক যা করেন
- পশু চিকিৎসক প্রয়োজনে শিরায় স্যালাইন ও শরীর ঠান্ডা করার চিকিৎসা দেন।
কখন পশু চিকিৎসক ডাকবেন
- ঠান্ডা করার পরও পশু না ওঠে বা হাঁপানো না কমে।
প্রতিরোধ ও টিকা
- গোয়ালে উঁচু ছাদ, খোলা দিক ও পাখা বা ছিটানো জলের ব্যবস্থা রাখুন; টিনের চালের নিচে খড় দিন।
- সারাদিন জল সামনে রাখুন।
- গরমে পশুকে রোদে বেঁধে রাখবেন না, দূরে পরিবহন করবেন না।
সাবধান
- হাঁপাচ্ছে এমন পশুর মুখে জোর করে জল ঢালবেন না — নিজে খেতে দিন।
সূত্র ও যাচাই
যাচাই বাকি
সংস্করণ 1
- Supplement to mitigate Heat Stress (Pashu Sheetvardhak)National Dairy Development Board (NDDB) · দেখা হয়েছে ১৪ অক্টোবর, ২০২৬