খুরা রোগ (ক্ষুরা ও মুখের রোগ)
Foot and mouth disease (FMD)
এই লেখা এখনও পশু চিকিৎসকের দ্বারা যাচাই হয়নি
সাধারণ তথ্য হিসেবে পড়ুন। ওষুধ দেওয়া বা চিকিৎসার আগে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশু খুব অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসককে ডাকুন।
গুরুতরশীতকালবর্ষাকালছোঁয়াচে
খুরা রোগ গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও শূকরের একটি খুব ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। বড় পশু সাধারণত মারা যায় না, কিন্তু দুধ ও কাজের ক্ষমতা অনেক কমে যায় আর পশু দুর্বল হয়ে পড়ে। বাছুরের ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। সঠিক টিকা (পশু চিকিৎসক বা সরকারি কর্মসূচির মাধ্যমে) রোগ আটকাতে সাহায্য করে।
বিপদের লক্ষণ — দেখলেই পশু চিকিৎসক ডাকুন
- বাছুর ঝিমিয়ে পড়া বা দুধ না খাওয়া
- দলের অনেক পশুর একসঙ্গে মুখে-খুরে ঘা
লক্ষণ
- জ্বর
- মুখে, জিভে ও ঠোঁটে ফোসকা বা ঘা — অনেক লালা পড়া
- খুরের মাঝে ঘা, খোঁড়ানো
- বাঁটে ফোসকা
- দুধ কমে যাওয়া
কেন হয়
- একটি ভাইরাস। অসুস্থ পশুর লালা, দুধ ও শ্বাসের মাধ্যমে, আর নতুন কেনা পশু, মানুষ ও যানবাহনের মাধ্যমে ছড়ায়।
ঘরে যা করবেন (প্রাথমিক যত্ন)
- নরম খাবার ও পরিষ্কার জল দিন।
- শুকনো, পরিষ্কার মেঝেতে রাখুন, খুরের ঘায়ে মাছি যেন না বসে।
চিকিৎসা — পশু চিকিৎসক যা করেন
- ভাইরাসের নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; পশু চিকিৎসক মুখ ও খুরের ঘা পরিষ্কার, জ্বর ও পরের জীবাণু-সংক্রমণের চিকিৎসা করেন।
- সরকারি কর্মসূচিতে বছরে দু'বার (TNAU: জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ও জুন-জুলাই) টিকা দেওয়া হয়।
কখন পশু চিকিৎসক ডাকবেন
- মুখে বা খুরে ফোসকা-ঘা দেখলেই পশু চিকিৎসককে জানান।
- বাছুর অসুস্থ হলে দেরি করবেন না।
প্রতিরোধ ও টিকা
- পশু চিকিৎসক বা সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী নিয়মিত টিকা দিন।
- নতুন কেনা পশু আলাদা রেখে তারপর দলে মেশান।
রোগ ছড়ানো আটকাতে
- অসুস্থ পশু আলাদা রাখুন, হাটে নেবেন না।
- অসুস্থ পশুর কাছ থেকে আসার পর হাত-পা-জামা পরিষ্কার করুন।
সাবধান
- ঘায়ে ঘরোয়া জিনিস (চুন, কেরোসিন ইত্যাদি) লাগাবেন না।
- নিজে থেকে ওষুধ দেবেন না।
সূত্র ও যাচাই
যাচাই বাকি
সংস্করণ ১
- Foot and mouth diseaseWorld Organisation for Animal Health (WOAH) · দেখা হয়েছে ১৩ অক্টোবর, ২০২৬