মুরগির রক্ত আমাশা (কক্সিডিওসিস)
Coccidiosis in chickens
এই লেখা এখনও পশু চিকিৎসকের দ্বারা যাচাই হয়নি
সাধারণ তথ্য হিসেবে পড়ুন। ওষুধ দেওয়া বা চিকিৎসার আগে অবশ্যই পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পশু খুব অসুস্থ হলে দেরি না করে চিকিৎসককে ডাকুন।
গুরুতরবর্ষাকালছোঁয়াচে
কক্সিডিওসিস অন্ত্রের অণুজীব পরজীবীর রোগ, ভেজা লিটারে খুব দ্রুত বাড়ে। ৩-৬ সপ্তাহের মুরগিতে রক্ত মেশানো পায়খানা হয়, বৃদ্ধি থেমে যায়, অনেক মুরগি মারা যেতে পারে। বর্ষায় সবচেয়ে বেশি।
বিপদের লক্ষণ — দেখলেই পশু চিকিৎসক ডাকুন
- অনেক মুরগির রক্ত পায়খানা ও মৃত্যু
লক্ষণ
- রক্ত মেশানো বা কমলা-বাদামি পায়খানা
- ঝিমিয়ে থাকা, পালক ফোলানো
- খাওয়া কমা, ওজন না বাড়া
- ফ্যাকাশে ঝুঁটি
কেন হয়
- আইমেরিয়া পরজীবী; ভেজা, নোংরা লিটার ও ভিড়ে বাড়ে।
ঘরে যা করবেন (প্রাথমিক যত্ন)
- ভেজা লিটার সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে শুকনো লিটার দিন।
- জলের পাত্র লিটারের উপর না রেখে উঁচুতে রাখুন, যাতে জল না পড়ে।
- ভিড় কমান।
চিকিৎসা — পশু চিকিৎসক যা করেন
- পশু চিকিৎসক জলে দেওয়ার পরজীবীনাশক (অ্যান্টি-কক্সিডিয়াল) ওষুধ ঠিক করেন।
কখন পশু চিকিৎসক ডাকবেন
- পায়খানায় রক্ত দেখলেই।
প্রতিরোধ ও টিকা
- লিটার সবসময় শুকনো রাখুন — মুঠো করে চাপলে দলা পাকালে বুঝবেন ভেজা।
- ব্যাচ শেষে পুরো লিটার বদলে ঘর পরিষ্কার করুন।
রোগ ছড়ানো আটকাতে
- মরা পাখি খোলা জায়গায়, পুকুরে বা খালে ফেলবেন না; গভীর গর্তে চুন দিয়ে পুঁতুন বা পুড়িয়ে ফেলুন (TNAU)।
সাবধান
- নিজে থেকে বা ওষুধের দোকানের কথায় অ্যান্টিবায়োটিক, ইনজেকশন বা অন্য ওষুধ দেবেন না — ওষুধ ও মাত্রা শুধু পশু চিকিৎসক ঠিক করবেন।
সূত্র ও যাচাই
যাচাই বাকি
সংস্করণ ১
- Coccidiosis in PoultryMSD Veterinary Manual · দেখা হয়েছে ১৪ অক্টোবর, ২০২৬